বাংলা ভাষায় ‘লেনিন’ যেভাবে আত্মপ্রকাশ

by | ফেব্রু ২৯, ২০২৪ | কালের খেয়া | ০ comments

সবকিছুরই একটা পটভূমি, ঘটনা বা গল্প থাকে। ‘লেনিন’ উপন্যাসটি লেখারও একটি পটভূমি আছে। আমি তখন কানাডার টরন্টোতে থাকি। ২০১৭ সাল। টরন্টোকেন্দ্রিক বাঙালিদের শিল্প ও সাহিত্য চর্চার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ‘পাঠশালা’ নামে একটি সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক, অনুবাদক, লেখক ও রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী ফারহানা আজিম শিউলীর প্রচেষ্টায়।

পাঠশালার প্রথম আয়োজন ছিল প্রয়াত দ্বিজেন শর্মাকে নিয়ে। আলোচনা করেছিলেন গোপেশ মালাকার ও কবি আসাদ চৌধুরী। দু’জনেই আজ প্রয়াত। এদিকে ২০১৭ সালে রুশ বিপ্লবের শতবর্ষ উদযাপিত হচ্ছে বিশ্বজুড়ে। রুশ বিপ্লব এবং লেনিনকে নিয়ে নতুন করে আগ্রহ জাগে। ‘পাঠশালা’ থেকে রুশ বিপ্লবের শতবর্ষ নিয়ে কিছু করা যায় কিনা ভাবছিলাম। কথাটা শিউলীকে বলতেই সেও আগ্রহী হয়ে ওঠে। শিউলীই আমাকে অনুরোধ করে কোনো একটি বই নিয়ে আলোচনা করতে। আমি তখন নিকালাই চেরনিশেফ্স্কির ‘কী করিতে হইবে?’ উপন্যাসটি পড়ছি। ঐ উপন্যাসটি পড়তে গিয়ে, উপন্যাসটি নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনাও আমি পড়ে ফেলি। আর সেইসব লেখা পড়তে গিয়েই জানতে পারি যে, রুশ বিপ্লবের নায়ক ভ্লাদিমির ইলিচ উলিয়ানভ, ইতিহাসে যিনি লেনিন নামেই সমধিক পরিচিত, তিনি মাত্র ১৪ বছর বয়সে এই উপন্যাসটি পড়ার চেষ্টা করেছিলেন এবং ১৭ বছর বয়সে টানা পাঁচবার বইটি পড়েছিলেন।  

আমি তখন লেনিন সম্পর্কে, তাঁর জন্ম, বেড়ে ওঠা, বালক ভালোদিয়া বা ভ্লাদিমির থেকে লেনিন হয়ে ওঠার পাশাপাশি রুশ বিপ্লবের নায়ক হয়ে ওঠা সম্পর্কে জানতে বেশি আগ্রহী হয়ে উঠি। আমি বই সংগ্রহের পাশাপাশি লেনিন নিয়ে পড়াশোনা শুরু করি। ঠিক সেই সময় ঢাকা থেকে শ্রদ্ধাভাজন বড় ভাই এবং একসময় বিপ্লবী আন্দোলনের সহযোদ্ধা মাজহার জীবন ভাই জানালেন যে, তিনি একটি অনলাইনভিত্তিক সাহিত্য পত্রিকা বের করতে যাচ্ছেন, লেখা দিয়ে সহযোগিতা করতে। আমি তাঁকে লেনিন নিয়ে একটি ফিকশন লেখার ভাবনার কথা জানালে তিনি আমাকে প্রথম পর্বটি শুধু লিখতেই বললেন না, আমাকে দিয়ে একপ্রকার জোর করেই অঙ্গীকার করিয়ে নিলেন। 

আমি বিশ্বাস করি বোকারা একটু সাহসী হয়। আমিও কেন জানি সাহস করে একটি দুঃসাহসিক অঙ্গীকার করে ফেললাম। এক দিন, দু’দিন করে সময় যায়, কিন্তু আমি লেখাটা শুরু করতে পারি না। মাজহার ভাই তাড়া দিতে থাকেন। অবশেষে আমার শিশুকন্যা আনায়া (ওর বয়স তখন পাঁচ মাস), ওকে বুকের ওপর ঘুম পাড়িয়ে মোবাইল ফোনের ডকুমেন্ট ফাইলে প্রথম পর্বটি লিখে ফেলি। লেখাটি প্রথমে পড়তে দিই আমার স্ত্রী মুছফেরা খান জুফাকে। পড়ার পর তাঁর প্রথম বাক্য, মাত্র একটি শব্দে– দারুণ!

তাঁর ঐ এক শব্দের মন্তব্য শুনে আমি সত্যি সত্যিই যেন সাগরে ঝাঁপ দিলাম! আমার স্ত্রীই আমার লেখার প্রথম পাঠক ও সমালোচক। তাঁর পরামর্শ মেনে, লেখার অনেক জায়গা, বানান সংশোধন করে মাজহার ভাইকে পাঠালাম। ‘লেখালেখির উঠোন’-এ লেখাটা পড়ে অনেকেই অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি ক্রমাগত উৎসাহ দিতে থাকেন লেখাটা যেন শেষ করি।

লেনিনকে নিয়ে নতুন করে আমার পড়াশোনা চলতেই থাকে। অসংখ্য জীবনীগ্রন্থ, তাঁকে নিয়ে লেখা তাঁর সহযোদ্ধা ও পরিবারের লোকজনের লেখা বইপত্র, লেনিনের লেখা অসংখ্য পত্র, ত্রৎস্কি, স্ট্যালিন, ম্যাক্সিম গোর্কি, বুখারিন, জিনোভিয়েভের লেখা বইপত্র, পুশকিন থেকে শুরু করে লেমেন্তরভ, গোগল, চেখভ, নিকোলাই চেরনিশেফ্স্কি, দস্তয়েফ্স্কি, ইভান তুর্গেনেভসহ অনেকের লেখা আমাকে পড়তে হয়েছে। পড়তে হয়েছে মার্ক্স, এঙ্গেলস, বেবেল, বাকুনিন, পিতর ক্রপৎকিন, রোজা লুক্সেমবার্গ, ক্লারা জেৎকিনসহ অনেকের বইপত্র। হারজেন, প্লেখানভ, ভেরা জাসুলিচ, এমিলি জোলার লেখাও পড়তে হয়েছে। ছয় বছর ধরে লেনিন নিয়ে পড়াশোনা বা গবেষণার (কিছুটা বিরতিসহ) ফসল এই লেনিন উপন্যাসটি।

যেহেতু আমার বইটি লেনিনের আরেকটি জীবনীগ্রন্থ নয়, বরং রক্ত-মাংসের মানুষ লেনিন, সংগত কারণেই প্রশ্ন আসতে পারে আমি লেনিনকে উপন্যাসে কীভাবে এনেছি। এর উত্তরে আমি নিচের কথাগুলো বলতে চাই।

বালক ভ্লাদিমিরের লেনিন হয়ে ওঠার গল্প যেন একদিকে রুশ ইতিহাসের আলোড়ন, অন্যদিকে উলিয়ানভ পরিবারের একটানা বিয়োগান্ত কাহিনি। ইতিহাসের কামারশালার আগুনে আর পারিবারিক শোকগাথায় গড়ে ওঠে লেনিনের মন। জারের হাতে বিপ্লবী বড় ভাই সাশার মৃত্যু কিশোর লেনিনকে দেখিয়ে দেয় জীবনের দিশা। সেই জীবনে প্রেম আসে নাদিয়া ও ইনেসার আকর্ষণ নিয়ে। ভালোবাসার আহ্বান ছিল ইয়াসনেভা ও এলিজাবেথের কাছ থেকেও। কিন্তু লেনিন যেন কাছে থেকেও দূরে, দূরে থেকেও অন্তর্গত রক্তের ভেতরে। শুধু প্রেমে নয়, বন্ধুত্বেও লেনিন যেন অধরা থেকে যায় ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধাদের কাছে। শ্রমিকের সঙ্গে তিনি শ্রমিক, অরণ্যে শিকারি, প্যারিসের আড্ডায় তুখোড় বুদ্ধিজীবী আর ব্রিটিশ মিউজিয়ামের নির্জনতায় এক আচ্ছন্ন পাঠক। ইউরোপের ভূগোলজুড়ে তাঁর চলাচল। সাইবেরিয়ার বরফজীবনের নির্বাসন থেকে সুইজারল্যান্ড, লন্ডন, প্যারিস, ব্রাসেলস আর রাশিয়াজুড়ে ছড়ানো তাঁর কক্ষপথ। কখনও মনে হয় তিনি নিষ্ঠুর, কখনও বিষাদময়, নিঃসঙ্গ। ইনেসাকে কবরে শুইয়ে কাঁদছে লেনিন। এই লেনিনই তো পিটার্সবার্গের ক্ষমতা দখলের আগে ও পরে শান্ত– যেন বিপ্লবের রেলগাড়িটার বিজ্ঞ চালক। ইতিহাসের শীতল বরফে মোড়ানো লেনিনের কঠিন ব্যক্তিত্বের তলায় যে উষ্ণ জীবনস্রোত– এই উপন্যাস তারই নিবিড় বয়ান।

‘লেনিন’ উপন্যাস থেকে নির্বাচিত কয়েকটি অংশ–

এক

ইনেসা তাকিয়েই থাকে। লেনিন বলে যায়, ‘আপনি জানেন কিনা জানি না, আমি বেটোফেনের সোনাটা পাগলের মতো পছন্দ করি। যখন সোনাটা শুনি, বিশেষত সেটা যদি সুন্দরভাবে কেউ বাজায়, সেটা আমার মধ্যে ভীষণ প্রভাব ফেলে। গতকাল আপনার বাজনা, সবুজ পর্দার সামনে সাদা পোশাকে আপনি, আপনার মগ্ন হয়ে বেটোফেনের মুনলাইট বাজানো, আপনার সৌন্দর্য, সবকিছু আমাকে ভীষণ মুগ্ধ করে। এ কারণেই আমি বেটোফেন সচেতনভাবে শুনি না, নিজের ভেতরটা আমি শিথিল হতে দিতে চাই না। প্রেম হলো রাডারলেস নৌকার পালে আসা তীব্র হাওয়া। আমি এই হাওয়া এড়িয়ে চলি।’

ইনেসা চট করে বলে, ‘আপনি কি বেটোফেনের মতো ভালোবাসাকেও এড়িয়ে চলেন?’

লেনিন অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে ইনেসার দিকে। ইনেসা না থেমে আবার বলে, ‘আপনাকে কেউ ভালোবাসলে সেটা বুঝতে পারেন?’ 

লেনিন উত্তর এড়াতে বলে, ‘আমি ঠিক এগুলো নিয়ে ভাবি না।’ 

ইনেসা বলে, ‘আপনি ভাবেন না। কারণ, ভালোবাসা তেমন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে আপনার জীবনে এখনও আসেনি।’

লেনিন অবাক হয়ে ভাবে এইসব কী বলছে এই মেয়ে! ইনেসা তাকে আরও বিস্মিত করে হাত বাড়িয়ে তার বাম হাতটা ধরে বলে, ‘আমি আপনাকে ভালোবাসি। পাগলের মতো ভালোবাসি।’

দুই

নাদিয়ার চোখ দিয়ে তখনও অঝোরে পানি ঝরছে। লেনিন তার হাত দুটি ধরে চুপ করে মেঝেতে বসে পড়ে। নাদিয়া তার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে আবার জানালা দিয়ে অন্ধকারের দিকে তাকায়। তাদের শোবার ঘরে আবারও সেই কবরের নিস্তব্ধতা নেমে আসে। এমন নিস্তব্ধতা যে কতটা অসহ্য হয়ে উঠতে পারে তা নাদিয়া ছাড়া আর কার পক্ষে বোঝা সম্ভব! 

লেনিন মাথা নিচু করে বসে নাদিয়ার হাত দুটি ধরেই থাকে। অনেকক্ষণ পর নীরবতা ভেঙে নাদিয়া হাত ছাড়িয়ে উঠে দাঁড়ায়। লেনিন নিজেও উঠে দাঁড়াতে দাঁড়াতে বলে, ‘কোথায় যাচ্ছ?’

নাদিয়া একটু থেমে লেনিনের দিকে না তাকিয়েই বলে, ‘তোমার সঙ্গে তো বিছানা ভাগ করা আর সম্ভব নয়, মায়ের ঘর ছাড়া আর যাব কোথায়!’ 

নাদিয়ার কথা শুনে লেনিন স্তব্ধ হয়ে যায়। তার মুখ দিয়ে একটা কথাও বের হয় না। নাদিয়া দরজার কাছে গিয়ে একটু দাঁড়ায়, লম্বা করে একটা শ্বাস নিয়ে বলে, ‘আমি সত্যিই জানি না তুমি প্রেমের শুচিতায় বিশ্বাস করো কিনা। কিন্তু আমি করি। প্রেম মরে গেলে বিয়ে বা সম্পর্কের মধ্যে কী থাকে বলো? একটা খোলস ছাড়া? আমি তোমার সব মানতে রাজি ছিলাম। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে আমি তোমার কাজের অংশ। জীবনের অংশ নই।’

তিন.

স্টেশনে তখন প্রচুর মানুষের ভিড়। প্রায় শ’খানেক বিক্ষুব্ধ মানুষ সেখানে জড়ো হয়েছে। তারা চিৎকার করে বলতে থাকে, ‘লেনিন একজন উস্কানিদাতা, জার্মানির চর; লেনিন একটা শূকরছানা, জার্মানির দালাল!’ যা মুখে আসছে তাই বলছে মানুষগুলো। লেনিন বিশ্বাসঘাতক, লেনিন জার্মানির টাকায় ট্রেন ভ্রমণ করছে, জার্মানি সাহায্যের নামে লেনিনকে ফাঁসিতে ঝোলাবে, এমন হাজার কথা। 

লেনিন দেখে নাদিয়া কানে হাত দিচ্ছে। সে তাকে বলে, ‘কানে হাত দিচ্ছ কেন, এর থেকে অনেক বেশি কথা শুনতে হবে রাশিয়া পৌঁছার পর।’ নাদিয়া মরিয়া হয়ে জানতে চায়, ‘ইলিচ, আমরা ভুল করছি না তো?’ লেনিন শুধু বলে, ‘আমরা তাই করছি বিপ্লবের জন্য যা প্রয়োজন।’ 

চার.

লেনিন ঠিক করে দাড়িগোঁফ কামিয়ে ফেলবে। প্রথমে কাজটি সে নিজেই করতে যায়। এমন সময় স্তালিন ঘরে ঢোকে। লেনিন তাকে দেখেই বলে, ‘কমরেড স্তালিন, আমাকে একটু সাহায্য করুন! আমার গোঁফদাড়িটা একটু কামিয়ে দিন।’

স্তালিন হাসিমুখে লেনিনের দাড়িগোঁফ কামিয়ে দেয়। পাশে দাঁড়িয়ে ছিল নিকোলাই এমেলিয়ানোভ। তার ওখানেই লেনিনরা উঠবে। সে বলে, ‘কমরেড লেনিন, আপনাকে তো চেনাই যাচ্ছে না।’ লেনিন হাসে। নিকোলাইয়ের মাথার টুপি ও গায়ের স্যুটটির দিকে চোখ পড়লে লেনিন বলে, ‘কমরেড, আপনি আমাকে আপনার মাথার টুপি ও গায়ের কোটটি ধার দিন।’

সে হাসিমুখেই তার বাদামি রঙের কোটটি লেনিনের হাতে তুলে দেয়। লেনিন কাপড় পাল্টে তাদের সামনে এসে দাঁড়ালে নিকোলাই মুগ্ধ বিস্ময়ে বলে, ‘আপনাকে দেখতে একদম ফিনিস কৃষকের মতো লাগছে।’ 

পাঁচ.

সাইবেরিয়া থেকে অনেক কষ্টে এসে পৌঁছেছে ইউরি আর তার তিন কমরেড। ঘুম ছিল না, খাওয়া ছিল না। লেনিনের বক্তৃতার সময়টাও সে ঘুমিয়েই কাটিয়েছে। হঠাৎ শোরগোল শুনে তার ঘুম ভেঙে যায়। থতমত চোখে সে পাশের লোকটিকে বলে, কী রে তেমুশকা কী হয়েছে। তেমুশকার উত্তর, কমরেড লেনিন আমাদের সমাজতন্ত্র এনে দিয়েছে। উত্তেজনায় ইউরি দাঁড়িয়ে যায়, যাকে পায় তাকে জড়িয়ে ধরে। আর বলতে থাকে, ‘আমাদের বিপ্লব আমাদের বিপ্লব!’

মায়াকোফ্স্কি হলরুমের বাইরে একপাশে দাঁড়িয়ে থাকার কারণে লেনিনকে আর দেখতে পায় না, কিন্তু অন্যরা তাদের কার্ডগুলো ওপরে তুলে ধরলে সে-ও তার পাসটি ওপরে তুলে ধরে। লেভ কামেনেভ বিজয়ের আনন্দে কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিক সংগীত গাওয়ার প্রস্তাব করলে সবাই সমস্বরে গাইতে শুরু করে। গাইতে শুরু করে জন রিডও। আবেগ ও আনন্দে মায়াকোফ্স্কির চোখ ছলছল করে। আন্তর্জাতিক সংগীত শেষ হতেই কবি মায়াকোফ্স্কি চিৎকার করে বলে ওঠে, ‘যে যা-ই বলুক, এই বিপ্লব আমার!’

লেখক পরিচিতি : আশানুর রহমানের জন্ম ১৯৭২ সালে, ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর থানার সীমান্তবর্তী মান্দারতলা গ্রামে। পড়াশোনা করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, বিআইবিএম ও কানাডার সিকিউরিটিজ ইনস্টিটিউটে। সমাজ বদলের স্বপ্নে বিভোর হয়ে একসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা অসমাপ্ত রেখে চলে গিয়েছিলেন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে। বর্তমানে ব্যাংকিং পেশায় নিয়োজিত। শিল্প-সাহিত্যের অঙ্গনেও সক্রিয়। মননশীল পত্রিকা ‘মননরেখা’-র সম্পাদনা পরিষদের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। 

‘লেনিন’ লেখকের প্রথম উপন্যাস। রচনাটির কিছু অংশ অনলাইন পত্রিকা ‘লেখালেখির উঠান’-এ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। 

০ Comments

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *