মোহাম্মদপুরে রামচন্দ্রপুর খালে উচ্ছেদ অভিযান

by | ফেব্রু ২৭, ২০২৪ | রাজধানী | ০ comments

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বছিলা এলাকার রামচন্দ্রপুর খালের অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও ময়লা পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ডিএনসিসিকে সহায়তা করেছেন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিডি ক্লিনের দেড় হাজারের বেশি সদস্য। গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত তিন কিলোমিটার দীর্ঘ খালের আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়। ডিএনসিসি মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে এই অভিযানে ছিলেন।

বেলা ১১টার দিকে রামচন্দ্রপুর খালের পাড়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু হয়। প্রথমে খালের মোহনার জায়গা দখল করে বানানো একটি আধাপাকা ও একটি পাকা স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এর পর শুরু হয় খালের পাড়ে নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবন ভাঙার কাজ। খালের সীমানায় অবৈধভাবে গড়ে তোলা ভবন ভাঙার কাজ চলমান থাকবে বলে জানান ডিএনসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা।
খাল উদ্ধার ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম বিষয়ে মেয়র আতিক সাংবাদিকদের বলেন, দুই বছর আগে মোহাম্মদপুরে লাউতলা খালে অবৈধভাবে গড়ে তোলা ট্রাকস্ট্যান্ড উচ্ছেদ করা হয়েছে। সেখানে সবুজায়ন হয়েছে। পাশেই সীমানা প্রাচীর দিয়ে একটি মাঠ তৈরি করা হয়েছে। আজ (গতকাল) রামচন্দ্রপুর খালে অভিযান শুরু করেছি। এটি প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ ও প্রায় ১০০ ফুট প্রশস্ত। খালের সীমানার ভেতরে সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে মেয়র বলেন, অবৈধ ভবন সরিয়ে নেওয়ার জন্য আমরা কোনো বৈধ নোটিশ দেব না। সবাই জানে, কারা খালের সীমানায় ভবন বানিয়েছে। ১০০ ফুট প্রশস্ত খাল জনগণের। এই সীমানা কেউ দখল করতে পারবে না।

মেয়রের উপস্থিতিতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন ডিএনসিসি অঞ্চল-৫-এর নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতাকাব্বীর আহমেদ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুব হাসান এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর খায়রুল আলম, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ মাহে আলম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ ফিদা হাসান, ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আসিফ আহমেদ, কাউন্সিলর রোকসানা আলম, শাহিন আক্তার সাথী প্রমুখ।

০ Comments

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *