মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য হইতে আগত সাময়িক আশ্রিত রোহিঙ্গাদের নামধাম গোপন করিয়া পাসপোর্ট তৈয়ার চক্রের ২৩ সদস্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের হস্তে ধৃত হইবার ঘটনায় আমরা বিস্মিত নহি। বাংলাদেশি জন্মনিবন্ধন সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করিয়া এই জনগোষ্ঠীর কাহারও কাহারও জনারণ্যে মিশিয়া যাইবার চেষ্টা পূর্বেও একাধিকবার উন্মোচিত হইয়াছে। এমনকি পাসপোর্ট তৈয়ার করিয়া বাংলাদেশি পরিচয়েই বিদেশে পাড়ি দিবার অঘটনও নেহায়েত স্বল্প নহে। স্মরণে রহিয়াছে, ২০১৯ সালেই রোহিঙ্গাদের জাতীয় পরিচয়পত্রপ্রাপ্তি ও পাসপোর্ট তৈরির অঘটন শনাক্ত এবং উহার নেপথ্যে বৃহৎ চক্রের অস্তিত্ব উন্মোচিত হইয়াছিল। কিন্তু পূর্বের অঘটনগুলিতে জড়িত ছিল কক্সবাজারের স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কতিপয় ব্যক্তি। এখন দেখা যাইতেছে, জালিয়াতির জাল দেশব্যাপী বিস্তৃত। রোহিঙ্গা শিবির হইতে দূরবর্তী রাজশাহী, রংপুর, নারায়ণগঞ্জ, ময়মনসিংহ, শরীয়তপুর ও গোপালগঞ্জ জেলাতেও পৌঁছিয়া গিয়াছে।

০ Comments