রান্না করতে গিয়ে হাত পুড়ে যাওয়ার ঘটনা প্রায়ই ঘটে। এতে ভীষণ জ্বালাও করে আবার ফোসকা পড়ার ভয়ও থাকে। এমন হলে তাৎক্ষণিক কিছু ব্যবস্থা নেবেন। তাহলে হাত জ্বালা থেকে যেমন মুক্তি পাবেন তেমনি ফোসকা পড়ারও কোনও ভয় থাকবে না।
কী করবেন-
কোনও জায়গা পুড়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে একটি কলা ভালো করে মাখিয়ে পেস্ট তৈরি করুন এবং সেই পেস্টটি পোড়া জায়গায় ক্রিমের মতো লাগান। এতে ত্বকের জ্বালাপোড়া কমে এবং ফোসকা পড়ার আশঙ্কা কমে।
পোড়া জায়গায় জ্বালাপোড়া থেকে মুক্তি পেতে আলুও ঘষতে পারেন। এজন্য আলু ঘষে একটি পেস্ট বানিয়ে নিন। তারপর সঙ্গে সঙ্গে পুড়ে যাওয়া স্থানে লাগান। তাহলে আর ফোসকা পড়ার কোনও ভয় থাকবে না এবং জ্বালাপোড়া কমে যাবে।
পোড়া জায়গায় ডিমের সাদা অংশও লাগাতে পারেন। এতে পোড়া জায়গায় শীতল অনুভব করবেন, যার ফলে জ্বালাপোড়া থেকে মুক্তি পাবেন। পাশাপাশি ফোসকাও পড়বে না।
পোড়া ত্বকের উপর সরাসরি অ্যালভেরা জেল লাগান। এর ফলে জ্বালা কমে যেমন ঠান্ডা অনুভূতি হবে, তেমনই ক্ষতও সারবে তাড়াতাড়ি।
পোড়া জায়গায় ভিনেগার ব্যবহার করলেও অনেক উপশম হয়। ভিনেগার অ্যাস্ট্রিঞ্জেন্ট এবং অ্যান্টিসেপটিক, যা সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে। ১ চামচ ভিনেগারে তিন চামচ পানি যোগ করে একটি দ্রবণ তৈরি করুন এবং তুলার সাহায্যে পোড়া জায়গায় লাগান। এটি করলে কিছুক্ষণ পর ব্যথায় আরাম পাওয়া যায়।
ত্বক পুড়ে গেলে দ্রুত জ্বালাভাব কমাতে পারে লিকার চা। ৩-৪টি লিকার চায়ের টি-ব্যাগ এক কাপ ঠান্ডা পানির মধ্যে ডুবিয়ে রাখুন। সঙ্গে ছড়িয়ে দিন কিছু বরফ কুঁচি। কিছুক্ষণ পর সেই লিকার চা একটি তুলার সাহায্যে ত্বকের পোড়া অংশে অল্প অল্প করে লাগাতে থাকুন। ভালো বোধ করবেন।
পোড়া সারাতে দইও খুব ভালো কাজ করে। তবে সঙ্গে সঙ্গে লাগালে জ্বালা আরও বেড়ে যাবে। পুড়ে যাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট পর দই লাগালে আরাম পাবেন।
মনে রাখবেন খুব সামান্য পুড়ে গেলেই এসব ঘরোয়া পদ্ধতির সাহায্য নিতে পারেন। যদি বেশি পুড়ে যায় বা বেশি জ্বালা করে তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

০ Comments